মূসক আইনের ধারা ৩৩: করযোগ্য সরবরাহের উপর মূসক প্রদানকাল।
(১) কোন করযোগ্য সরবরাহের উপর আরোপিত মূসক নিম্নবর্ণিত কার্যাবলীর মধ্যে যাহা সর্বাগ্রে ঘটে, উহা সংঘটিত হইবার সময় প্রদেয় হইবে, যথা:-(ক)
(১) কোন করযোগ্য সরবরাহের উপর আরোপিত মূসক নিম্নবর্ণিত কার্যাবলীর মধ্যে যাহা সর্বাগ্রে ঘটে, উহা সংঘটিত হইবার সময় প্রদেয় হইবে, যথা:-(ক)
বোর্ড এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা করযোগ্য যে কোন সেবার পরিধি নির্ধারণের লক্ষ্যে কিংবা অন্য যে কোন
(১) এই ধারার বিধান সাপেক্ষে, করযোগ্য কোন সরবরাহের পণ হইতে উক্ত পণের কর-ভগ্নাংশের সমপরিমাণ অর্থ বিয়োগ করিয়া যাহা পাওয়া যাইবে
(১) প্রত্যেক নিবন্ধিত বা নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তি আমদানিকৃত পণ্যের সরবরাহের উপর প্রদেয় মূসক উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত হারে আগাম পরিশোধ করিবেন।[আমদানিকৃত
কোন পণ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভোগের উদ্দেশ্যে খালাস বা ছাড় না করিয়া রপ্তানির উদ্দেশ্যে আনয়ন করা হইলে, উক্ত পণ্য করযোগ্য হইবে
পণ্য রপ্তানির পর উহা পুনঃআমদানি করিবার ক্ষেত্রে যদি পণ্যটির আকৃতি, প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও গুণগতমান অপরিবর্তিত থাকে, তাহা হইলে উক্ত পণ্যের
কোন করযোগ্য আমদানির ক্ষেত্রে মূসক আরোপের ভিত্তিমূল্য হইবে নিম্নবর্ণিত পরিমাণের সমষ্টি, যথা:- (ক) কাস্টমস আইনের অধীন আমদানি শুল্ক আরোপের উদ্দেশ্যে
কাস্টমস আইনের অধীন যে পদ্ধতি ও সময়ে আমদানি শুল্ক আদায় করা হয় সেই একই পদ্ধতি ও সময়ে, আমদানির উপর আমদানি